শরতের আগমনে

এই কবিতা ইতিমধ্যে 215 বার পড়া হয়েছে!

শরতের আগমনে

লক্ষ্মণ ভাণ্ডারী

 

আশ্বিনের পূণ্যমাসে প্রতি বছরেতে আসে

দুর্গাপূজা ভারি ধূমধাম,

পাঁচটি দিনের তরে জীবন খুশিতে ভরে

আনন্দের নাহিক বিরাম।

 

উদিত সোনার রবি পূবাকাশে দেয় উঁকি

দূর্বাঘাসে ভোরের শিশির,

প্রভাতে পাখির গান অজয়ের কলতান

খেয়াঘাটে যাত্রীদের ভিড়।

 

সবুজ ধানের খেতে সমীরণ ওঠে মেতে

হৃদয়ে খুশির ঢেউ জাগে,

নদীতীরে দুইকূলে শোভা দেয় কাশফুলে

দৃশ্য হেরি অপরূপ লাগে।

 

ফুটিল শিউলি ফুল কামিনী জুঁই বকুল

টগর ফুটিল ফুলবনে,

সরোবরে বিকশিত শতদল প্রস্ফুটিত

সুরভিত অলির গুঞ্জনে।

 

অজয় নদীর বাঁকে ওড়ে বক ঝাঁকেঝাঁকে

রাঙাপথে চলে গোরুগাড়ি,

শরতের সাদামেঘ ধায় অতি দ্রুতবেগ

দেয় তারা দূরদেশে পাড়ি।

 

পূজা এসে গেল কাছে  কটা দিন বাকি আছে

ঘরে ঘরে তার আয়োজন।

ঢাক বাজে কাঁসি বাজে দেবীর মন্দির মাঝে

ধরাধামে হয় মার আগমন।

Print Friendly

Author Profile

লক্ষ্মণ ভাণ্ডারী
লক্ষ্মণ ভাণ্ডারী
লক্ষ্মণ ভাণ্ডারী –নামেই কবির পরিচয়। কবির বাড়ি পশ্চিমবঙ্গে বর্ধমান জেলার পাথরচুড় গ্রামে। প্রকৃতির সাথে পরিচয় ছোটবেলা থেকেই। বর্তমানে কবি বাংলা কবিতার আসর, বাংলার কবিতা ও কবিতা ক্লাবের সাথে যুক্ত। অবসর সময়ে কবি কবিতা লেখেন ও স্বরচিত কবিতা আবৃত্তি করেন। বর্তমানে কবি কবিতা মুক্তমঞ্চ, প্রজন্ম ফোরাম, কবি ও কবিতা, আর কবিতা ক্লাবের সাথে যুক্ত। সামহোয়্যার ব্লগ, কবির কয়েকটি নিজস্ব ব্লগ, লক্ষ্মণ ভাণ্ডারীর কবিতা, আমার কবিতা, Get Bengali Status, কবিতার ছেঁড়াপাতা, ব্লগ চালু আছে। কাব্য ও কবিতা ওয়েবসাইটের সাথে যুক্ত। কবির প্রথম কবিতা প্রকাশিত হয় বাহাদুর উচ্চ বিদ্যালয় পত্রিকায়। ইকড়া বাসন্তী বিজয় উচ্চ-মাধ্যমিক বিদ্যালয় পত্রিকায় দ্বিতীয় কবিতা প্রকাশিত হয়। তৃতীয় কবিতা প্রকাশিত হয় ত্রিবেণীদেবী ভালোটিয়া উচ্চ মহাবিদ্যালয় পত্রিকায়। পরে বিভিন্ন মাসিক পত্রিকা, কালকেতু, অম্বুজা, ইত্যাদিতে নিয়মিত কবিতা প্রকাশিত হতে থাকে। কবির প্রকাশিত প্রথম সাহিত্য পত্রিকা দুর্বার সাহিত্য পত্রিকা, ভোরের আলো, পদাতিক, ধাঁধার খেলাঘর (ছোটদের পত্রিকা) নিয়মিত প্রকাশিত হয়ে চলেছে।
0.00 avg. rating (0% score) - 0 votes

Enjoyed this post? Share it!